৫৫ বছরে শহীদ জিয়া গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন মঈন খানের

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধের ৫৫ বছরেও বাংলাদেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি, এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

রোববার (৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন করেন। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, এটা কি তাৎক্ষণিক ছিল? নাকি তার এই চিন্তাধারা অনেক আগে থেকেই ছিল? এত বছরেও দেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য আমাদের দেশে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। যে বাংলাদেশ আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সেই বাংলাদেশ কিন্তু ৫৫ বছরে আমরা বিনির্মাণ করতে পেরেছি—তা কিন্তু নয়। আসলে আমরা এমন একটি জাতি, যে জাতি বিগত ৫৫ বছরে বারবার বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে সামনে এগিয়েছে। স্বাধীনতার পর ৫৫ বছরে বাংলাদেশের যাত্রাপথ কিন্তু মসৃণ ছিল না।’

মঈন খান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পালন করতে যাচ্ছে। ঠিক একইভাবে ৫৫ বছর। কিন্তু একেবারে কম সময়ও নয়। আমি মনে করি, বাংলাদেশ এখন একটি শিশু রাষ্ট্র—সেই অজুহাত দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না। আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে সেই দায়িত্ব আরও অনেক নিয়ে যেতে হবে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ইতিহাসে একাত্তরের একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ (দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) জিয়াউর রহমান যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সেই যুদ্ধে বিজয়ের জন্য তিনি ‘হিলাল-ই-জুরাত’ পেয়েছিলেন। তখন তিনি করাচিতে নিযুক্ত ছিলেন। সেই যুদ্ধে তিনি প্রথম নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। জয়নাল আবেদীনসহ সেই সময়ে যারা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন, তারা জানেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘করাচিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) থেকে অনেকে যেতেন। তখন জিয়াউর রহমান মেজর হননি, সৈনিক-ক্যাপ্টেন ছিলেন। সেই সময়ে তিনি অনেকের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বঞ্চনা এবং রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেন।’

মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশে আগের সরকারের অনেক দায়িত্ব ছিল। যে দায়িত্ব তারা পালন করেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারব, ইনশাল্লাহ।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযুদ্ধবিয়ষক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে প্রবাসীদের মিলনমেলা

» বিশ্বকাপে ভালো করতে স্পিনের ওপর ভরসা করছে বাংলাদেশ

» অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার ২

» লোকাল বাস খাদে পড়ে ৪ জন নিহত

» যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ‘মিথ্যা’, পরমাণু ভাণ্ডার আরও বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া

» বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

» ৭ মামলায় জামিন চেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক

» এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন

» বিশেষ পুলিশি অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার

» দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি তৃণমূলের নারীরা : মঈন খান

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

৫৫ বছরে শহীদ জিয়া গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন মঈন খানের

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধের ৫৫ বছরেও বাংলাদেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি, এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

রোববার (৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন করেন। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, এটা কি তাৎক্ষণিক ছিল? নাকি তার এই চিন্তাধারা অনেক আগে থেকেই ছিল? এত বছরেও দেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য আমাদের দেশে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। যে বাংলাদেশ আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সেই বাংলাদেশ কিন্তু ৫৫ বছরে আমরা বিনির্মাণ করতে পেরেছি—তা কিন্তু নয়। আসলে আমরা এমন একটি জাতি, যে জাতি বিগত ৫৫ বছরে বারবার বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে সামনে এগিয়েছে। স্বাধীনতার পর ৫৫ বছরে বাংলাদেশের যাত্রাপথ কিন্তু মসৃণ ছিল না।’

মঈন খান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পালন করতে যাচ্ছে। ঠিক একইভাবে ৫৫ বছর। কিন্তু একেবারে কম সময়ও নয়। আমি মনে করি, বাংলাদেশ এখন একটি শিশু রাষ্ট্র—সেই অজুহাত দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না। আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে সেই দায়িত্ব আরও অনেক নিয়ে যেতে হবে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ইতিহাসে একাত্তরের একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ (দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) জিয়াউর রহমান যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সেই যুদ্ধে বিজয়ের জন্য তিনি ‘হিলাল-ই-জুরাত’ পেয়েছিলেন। তখন তিনি করাচিতে নিযুক্ত ছিলেন। সেই যুদ্ধে তিনি প্রথম নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। জয়নাল আবেদীনসহ সেই সময়ে যারা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন, তারা জানেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘করাচিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) থেকে অনেকে যেতেন। তখন জিয়াউর রহমান মেজর হননি, সৈনিক-ক্যাপ্টেন ছিলেন। সেই সময়ে তিনি অনেকের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বঞ্চনা এবং রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেন।’

মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশে আগের সরকারের অনেক দায়িত্ব ছিল। যে দায়িত্ব তারা পালন করেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারব, ইনশাল্লাহ।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযুদ্ধবিয়ষক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com